যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক মেরুকরণ চরম আকার ধারণ করেছে। জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয় এবং ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে, যা প্রতিবেশীদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করেছে।
ওয়ারেন শহরে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাতে গিয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মীরা ভোটারদের মধ্যে চরম হতাশা লক্ষ্য করছেন। ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে না এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে তাদের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।
সিনেট আসনের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ এবং রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স। জনমত জরিপে দুই প্রার্থী প্রায় সমান অবস্থানে থাকায় মিশিগানের ফলাফল আসন্ন নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র আবেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ কেউ ট্রাম্পের যুদ্ধের সমালোচনা করে তাকে ‘গ্যাংস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন, আবার কেউবা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর ইরান নীতির কড়া সমালোচনা করে রিপাবলিকানদের সমর্থন দিচ্ছেন।
২০২০ সালে জো বাইডেনকে সমর্থন দিলেও ২০২৪ সালে মিশিগানের ভোটাররা ট্রাম্পকে জয়ী করেছিলেন। তাই ৩ নভেম্বরের এই নির্বাচন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে, যার জন্য দুই দলই বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রচার চালাচ্ছে।