agamir somoy
শীতের আগে জ্বালানি রক্ষায় ইউক্রেনের তৎপরতা
বিজ্ঞাপন

শীত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেনের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে দেশটি। রাশিয়ার প্রায় প্রতিদিনের বিমান হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুৎবিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা দ্রুত গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে এবং বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্কও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।

জ্বালানিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিক্সি গ্রুপের প্রধান ওলেনা পাভলেনকো এএফপিকে বলেন, হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা বিবেচনায় শুধু ২০২৬ সালেই ব্যয় ৬ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি নিশ্চিত। কিয়েভের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বেসরকারি সংস্থা গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের তথ্য অনুযায়ী কিয়েভ শহরে তিনটি যৌথ তাপ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো চলতি মাসে বলেছেন, গত শীতের পর মেরামতের কাজ চালানো হলেও শহরের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর আগে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল প্রায় ৩৮ গিগাওয়াট। বর্তমানে ইউক্রেনের সচল তিনটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫৫ শতাংশের বেশি সরবরাহ করছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও ক্ষুদ্র বিদ্যুৎ গ্রিডের মতো বিকল্প পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ইউক্রেনের হাতে সময় খুবই কম এবং বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে জ্বালানি খাত পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৯১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
শেয়ার করুন:
বিজ্ঞাপন