ভারতের জলবায়ু সংকটের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরতে সংগীত অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যালবামটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আসার সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাডভাইজার্সের ব্রিকেশ সিং এ কথা জানান। জলবায়ু সংকটের শিকার মানুষের কাছে পৌঁছাতে সমাজে ঘটনা তুলে ধরার ধরন বদলাতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তামিলনাড়ুর প্রথম সর্বনারী র্যাপ দল সোল্লিসাই সিস্টাহস-এর সদস্য অভিশা তৈরি করেছেন ভেপ্পা মারাথাডিয়িলা গানটি। তামিল ভাষায় এর অর্থ নিমগাছের নিচে এবং এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রায় আট বছর বয়সে বাড়ির দোরগোড়ায় পানি পৌঁছানো এবং দুই বছর পর এলাকা পানিশূন্য হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে গানটি বানান তিনি।
পানির ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে কন্নড় ভাষায় নীর কোডু বা পানি দাও গানটি লিখেছেন র্যাপার কালি। শৈশবে প্লাস্টিকের পাত্রে করে পানি সংগ্রহের স্মৃতি তাকে এই গান লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। ২৯ বছর বয়সী কালির আসল নাম অক্ষয় এবং তিনি এমিনেম ও অ্যাকনকে নিজের অনুপ্রেরণা মানেন।
বেঙ্গালুরু শহরে পানির সংকট একটি বড় সমস্যা হওয়ায় এখানকার বাসিন্দারা ভূগর্ভস্থ কূপের ওপর নির্ভর করেন। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনে এই সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলবায়ু সংকট নিয়ে ভারতের প্রথম বহুভাষিক র্যাপ অ্যালবাম ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি মিক্সটেপ-এর ছয়টি গানের মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত।